• বুধবার ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    স্বপ্নচাষ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন  

    যেসব খাবারে বিষণ্নতা কমে

    স্বপ্নচাষ ডেস্ক

    ১৬ মে ২০২০ ১:১৬ অপরাহ্ণ

    যেসব খাবারে বিষণ্নতা কমে

    বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বিষণ্ন-বিমর্ষ হয়ে ওঠাই স্বাভাবিক। কারণ প্রতিনিয়ত দেখতে হচ্ছে বেদনাদায়ক ও হতাশাজনক সব ঘটনা।

    তবে বিমর্ষ হয়ে বিষণ্নতায় ডুবে গেলে চলবে না। বিষণ্নতায় স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে, তাই এর মাত্রা কমানোর চেষ্টা করতে হবে। এই মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাটি জয় করে সুস্থ থাকতে হবে। এমনকিছু খাবার রয়েছে যা খেলেও মন ভালো হয় তথা বিষণ্নতা কমে। এখানে বিষণ্নতা কমাতে পারে এমনকিছু খাবার দেয়া হলো।

    মুরগির মাংস: টার্কি মুরগির মাংসে প্রোটিন বিল্ডিং-ব্লক ট্রাইপ্টোফ্যান থাকে, যাকে শরীর সেরোটোনিন উৎপাদন করতে ব্যবহার করে। গবেষকদের মতে, এটা হচ্ছে একটি ব্রেইন কেমিক্যাল যা বিষণ্নতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্য মুরগির মাংস ও সয়াবিন থেকেও মেজাজ-উন্নয়নকারী প্রতিক্রিয়া পেতে পারেন।

    কফি: এক কাপ কফির ক্যাফেইন আপনাকে চাঙা করতে যথেষ্ট হতে পারে। কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে, প্রতিদিন এক কাপ কফি বিষণ্ন হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে, যদিও গবেষকরা এর নিশ্চিত ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। আপনি দৈনিক সর্বোচ্চ চার কাপ কফি পান করতে পারেন, এর বেশি পান করলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

    ব্রাজিল নাট: ব্রাজিল নাট হচ্ছে সেলেনিয়ামে সমৃদ্ধ বাদাম, যা শরীরকে ফ্রি রেডিক্যালস নামক ধ্বংসাত্মক ক্ষুদ্র কণা থেকে সুরক্ষিত রাখে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব তরুণদের ডায়েটে পর্যাপ্ত পরিমাণে সেলেনিয়াম ছিল না, তাদের মধ্যে বিষণ্নতার মাত্রা বেশি ছিল।তবে গবেষকরা নিশ্চিতভাবে বলেননি যে সেলেনিয়াম ঘাটতি থেকেই বিষণ্নতা হয়। একটি ব্রাজিল নাটে দৈনিক সুপারিশকৃত মাত্রার প্রায় অর্ধেক সেলেনিয়াম থাকে বলে কতটা বাদাম খাচ্ছেন খেয়াল রাখুন। এই খনিজে সমৃদ্ধ আরো কিছু খাবার হচ্ছে বাদামী চাল, চর্বিমুক্ত গরুর মাংস, সূর্যমুখী বীজ ও সামুদ্রিক খাবার।

    গাজর: বিটা ক্যারোটিনে পরিপূর্ণ একটি সবজি হচ্ছে গাজর। মিষ্টি কুমড়া, পালংশাক, মিষ্টি আলু ও খরমুজেও বিটা ক্যারোটিন পাবেন। গবেষণায় এই পুষ্টির সঙ্গে নিম্নমাত্রার বিষণ্নতার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে এখনো এটা বলার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ নেই যে এই পুষ্টিতে বিষণ্নতা জনিত ব্যাধি প্রতিরোধ হবে। কিন্তু আপনার ডায়েটে এখন থেকেই বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখলে ক্ষতি নেই, বরং এর অন্যান্য উপকারিতায় স্বাস্থ্য উন্নত হবে।

    দুধ: দুধ হচ্ছে ভিটামিন ডি এর অন্যতম ভালো উৎস। কারো শরীরে এই পুষ্টির মাত্রা খুব কমে গেলে তিনি বিষণ্নতায় ভুগতে পারেন। নরওয়ের একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে, যারা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট সেবন করেছেন তারা পরের বছর সেসব লোকদের তুলনায় কম বিষণ্ন ছিলেন যারা উক্ত সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেননি। তাই বিষণ্নতার মাত্রা কমাতে আপনার ডায়েট ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন।

    সবুজ শাকসবজি: সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর ফোলেট রয়েছে। ফোলেট মস্তিষ্কের কোষকে ভালোভাবে কাজ করায় ও বিষণ্নতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। এই পুষ্টিটি বি৯ নামেও পরিচিত। মসুর ডাল, শিমের বিচি ও শতমূলীতেও বি৯ পাওয়া যায়।

    চর্বিযুক্ত মাছ: পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে এমন সামুদ্রিক মাছ বিষণ্নতার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। এসবের একপ্রকার চর্বি হচ্ছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। গবেষকদের মতে এটি মস্তিষ্ক কোষকে সেসব কেমিক্যাল ব্যবহারে সহায়তা করতে পারে যা মেজাজকে প্রভাবিত করে। অল্পকিছু গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শরীরে উচ্চ মাত্রায় ওমেগা-৩ ছিল তারা মুড ডিসঅর্ডারে আচ্ছন্ন লোকদের মতো বিষণ্ন ছিলেন না।

    স্বপ্নচাষ/ আরএস

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১:১৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৬ মে ২০২০

    swapnochash24.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
    advertisement

    সম্পাদক : এনায়েত করিম

    প্রধান কার্যালয় : ৫৩০ (২য় তলা), দড়িখরবোনা, উপশহর মোড়, রাজশাহী-৬২০২
    ফোন : ০১৫৫৮১৪৫৫২৪ email : swapnochash@gmail.com

    ©- 2021 স্বপ্নচাষ.কম কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।