• বুধবার ২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    স্বপ্নচাষ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন  

    বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং নিয়ে বিভ্রান্তি দূর হোক

    ড. মো. আজিজুর রহমান

    ০৭ ডিসেম্বর ২০২০ ৫:৫৮ অপরাহ্ণ

    বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং নিয়ে বিভ্রান্তি দূর হোক

    ড. মো. আজিজুর রহমান

    বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিংয়ের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য এবং প্রভাবশালী তিনটি র‌্যাংকিং হল- কুয়াককুয়ারলি সিমন্ডস (Quacquarelli Symonds) বা কিউএস (QS), টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) এবং সাংহাই র‌্যাংকিং কনসালটেন্সি যেটি একাডেমিক র‌্যাংকিং অব ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিজ (ARWU) নামেও পরিচিত। কুয়াককুয়ারলি সিমন্ডস বা কিউএস একটি লন্ডনভিত্তিক র‌্যাংকিং প্রতিষ্ঠান।

    প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং প্রকাশ শুরু করে। এরপর তারা ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো এশিয়ান ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। এ ধারাবাহিকতায় ২৫ নভেম্বর এশিয়ান ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং ২০২১ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ বছরের ওই তালিকায় এশিয়ার ৬৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তালিকার এক নম্বরে রয়েছে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর।

    দুই এবং তিন নম্বরে রয়েছে যথাক্রমে চীনের সিংহুয়া ইউনিভার্সিটি এবং সিঙ্গাপুরের ন্যানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি। এ র‌্যাংকিংয়ের সেরা দশে রয়েছে চীনের (মেইনল্যান্ড) পাঁচটি, সিঙ্গাপুরের দুটি, হংকংয়ের দুটি এবং মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়। আর সেরা একশ’তে স্থান পেয়েছে চীনের (মেইনল্যান্ড) ২৫টি, দক্ষিণ কোরিয়ার ১৭টি, জাপানের ১৪টি, তাইওয়ানের ১১টি, ভারতের আটটি, মালয়েশিয়ার সাতটি, হংকংয়ের ছয়টি, ইন্দোনেশিয়ার তিনটি, থাইল্যান্ডের দুটি ও পাকিস্তান এবং ফিলিপাইনের একটি করে বিশ্ববিদ্যালয়। এশিয়ার সেরা এক শ’র মধ্যে বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা করে নিতে পারেনি।

    তবে, ১৩৪ ও ১৯৯ নম্বর অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েট। এ দুটির পাশাপাশি আরও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট, অবস্থান ৪৫১-৫০০) এবং সাতটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় [নর্থসাউথ (অবস্থান ২২৮), ব্র্যাক (অবস্থান ২৭১-২৮০), ইনডিপেনডেন্ট (অবস্থান ৩৫১-৪০০), ড্যাফোডিল (অবস্থান ৪০১-৪৫০), ইস্ট-ওয়েস্ট (অবস্থান ৪০১-৪৫০), ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল (অবস্থান ৪০১-৪৫০), আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (অবস্থান ৫৫১-৬০০), আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল (অবস্থান ৫৫১-৬০০)] এশিয়ার সেরা ৬৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান পেয়েছে। দেশের প্রায় সব প্রধান গণমাধ্যম ফলাও করে প্রচার করেছে এ সংবাদটি।

    কিন্তু এ তালিকায় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিক্য নিয়ে এবং দেশের অনেক স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যেগুলোতে ভালো মানের গবেষণা হয় সেগুলো স্থান না পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিউএস র‌্যাংকিংয়ের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

    কারণ গবেষণায় কৃতিত্ব, ইনোভেশন ও সামাজিক প্রভাব এ তিনটি ইনডিকেটরের ওপর নির্ভর করে তৈরি করা সিমাগো ইন্সটিটিউশনস র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সেরা দশে কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নেই। সিমাগো ২০২০ র‌্যাংকিং অনুযায়ী দেশের সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয় (সার্বিক দিক বিবেচনায়) হল যথাক্রমে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। লক্ষণীয়, সিমাগো ২০২০ র‌্যাংকিং অনুযায়ী দেশের সেরা দশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র দুটি বিশ্ববিদ্যালয়- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েট ছাড়া বাকি আটটি বিশ্ববিদ্যালয় কিউএস কর্তৃক প্রণীত এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং ২০২১-এ স্থান পায়নি, যা সত্যি বিভ্রান্তিকর। আমার এ লেখার উদ্দেশ্য হল এ বিভ্রান্তি দূর করা এবং এর কারণ খুঁজে বের করা।

    কিউএস প্রতি বছর কয়েকটি র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। এর মধ্যে আছে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং, রিজিওনাল ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং (যেমন- এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং, অ্যারাব রিজিওন ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং, ল্যাটিন আমেরিকা ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং, ইউএস ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং), গ্রাজুয়েট এমপ্লয়াবিলিটি র‌্যাংকিং ইত্যাদি। র‌্যাংকিংয়ের প্রকারভেদে কিউএস ভিন্ন ভিন্ন পারফরমেন্স ইনডিকেটর ব্যবহার করে।

    যেমন- ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং, যেখানে বিশ্বের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, সেখানে কিউএস মোট ছয়টি পারফরম্যান্স ইনডিকেটর ব্যবহার করে থাকে। এগুলো হল- প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম, চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে সুনাম, ছাত্র-শিক্ষকের অনুপাত, শিক্ষক প্রতি সাইটেশনের সংখ্যা, আন্তর্জাতিক শিক্ষকের সংখ্যা এবং আন্তর্জাতিক ছাত্রের সংখ্যা। পক্ষান্তরে, এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংয়ে তারা মোট ১১টি ইনডিকেটর ব্যবহার করে। এগুলো হল- প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম, চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে সুনাম, ছাত্র-শিক্ষকের অনুপাত, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক, গবেষণাপত্র-প্রতি সাইটেশনের সংখ্যা, শিক্ষক-গবেষক প্রতি গবেষণাপত্রের সংখ্যা, পিএইচডিধারী শিক্ষকের সংখ্যা, আন্তর্জাতিক শিক্ষকের সংখ্যা, আন্তর্জাতিক ছাত্রের সংখ্যা, শিক্ষার্থী বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে কতজন শিক্ষার্থী দেশের বাইরে যায় তার সংখ্যা এবং কতজন শিক্ষার্থী অন্য দেশ থেকে আসে তার সংখ্যা।

    কিউএস র‌্যাংকিং পদ্ধতির আরও ভেতরে প্রবেশ করতে হলে এর ইনডিকেটরগুলোর তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা হয় তা জানতে হবে। যেমন- কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম বের করার জন্য কিউএস সারা বিশ্বের নির্ধারিত প্রায় এক লাখ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক-বিজ্ঞানীদের কাছে জানতে চায়, গবেষণা বিষয়ে সেরা কাজটি বর্তমানে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা করছেন।

    কোন কোন গবেষক বা বিজ্ঞানী এ জরিপে অংশ নেবে তার তালিকা কিউএস র‌্যাংকিংয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে সংগ্রহ করে। একইভাবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে সুনাম কী রকম তা পরিমাপের জন্য কিউএস প্রায় ৫০ হাজার চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে জানতে চায়, তাদের মতে বর্তমানে কোন বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে দক্ষ, উদ্ভাবনী শক্তিসম্পন্ন এবং কার্যকর গ্র্যাজুয়েট তৈরি করছে। কোন কোন চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান এ জরিপে অংশ নেবে তার তালিকাও কিউএস র‌্যাংকিংয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে সংগ্রহ করে।

    একইভাবে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংয়ের ছয়টি ইনডিকেটরের মধ্যে শিক্ষক-প্রতি সাইটেশনের সংখ্যা ইনডিকেটরটির তথ্য ব্যতীত বাকি সব তথ্য কিউএস জরিপে অংশ নেয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছ থেকে সংগ্রহ করে। উল্লেখ্য, এসব তথ্য সংগ্রহ করার জন্য কিউএস প্রাথমিকভাবে নিজ থেকে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে না।

    তবে, ২০০৪ সালে কিউএস যখন প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং প্রকাশ করে, তখন তারা বিশ্বের ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বিশেষ ফর্মুলার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করে সে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে তথ্য নেয়। এরপর থেকে প্রতি বছর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কিউএস কিছু বিশ্ববিদ্যালয়কে এ তালিকায় যুক্ত করতে থাকে এবং বর্তমানে বিশ্বের প্রায় বিশ হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বিশ্ববিদ্যালয় কিউএসের তালিকাভুক্ত। কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংয়ে সাড়ে পাঁচ হাজারের মধ্যে সেরা এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রতি বছর তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে।

    যে প্রতিষ্ঠানগুলো কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংয়ের সেরা এক হাজারে স্থান পায় না, তাদের একটা বড় অংশ কিউএসের অঞ্চলভিত্তিক র‌্যাংকিংয়ে স্থান পায়। যেমন- কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং ২০২১-এ বাংলাদেশের শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েট স্থান পেয়েছে এবং এগুলোর অবস্থান ৮০০-১০০০-এর মধ্যে। কিন্তু কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং ২০২১-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের পাশাপাশি দেশের আরও নয়টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে, যার মধ্যে কুয়েট বাদে বাকি আটটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, যা আমি আগেই উল্লেখ করেছি।

    দেশের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংয়ের সেরা এক হাজারের মধ্যে জায়গা করতে না পারলেও কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংয়ের মতো আঞ্চলিক র‌্যাংকিংয়ে জায়গা করতে না পারাটা অস্বাভাবিক। সম্ভবত এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জানা নেই যে, কিউএসের র‌্যাংকিংয়ে অংশ নিতে হলে আগে তালিকাভুক্তির আবেদন করে তাদের সব প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে হয়। তাই গবেষণা, প্রকাশনা, শিক্ষার মান সবদিক থেকে এগিয়ে থেকেও কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংয়ে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম তালিকায় নেই।

    বিতর্ক এড়াতে এবং বিভ্রান্তি দূর করতে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত খুব শিগগিরই কিউএসসহ টাইমস হায়ার এডুকেশন এবং সাংহাই র‌্যাংকিং কনসালটেন্সির মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত র‌্যাংকিংগুলো অন্তর্ভুক্তিকরণের জন্য উদ্যোগ নেয়া। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ডিন, ইন্সটিটিউট পরিচালক এবং প্রথিতযশা গবেষকদের সমন্বয়ে একটি র‌্যাংকিং কমিটি তৈরি করে দিতে পারে। এ কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে কীভাবে লিগ টেবিলগুলোতে অন্তর্ভুক্ত করা যায় তার ব্যবস্থা করবে এবং র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে আসতে হলে কীভাবে কী কী করতে হবে তা নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সহায়তা করবে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনও বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যাতে ভালো করতে পারে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বৈশ্বিক বা আঞ্চলিক র‌্যাংকিংয়ে স্থান পাওয়াতে বিশেষ কোনো সুবিধা না পেলেও দেশের মানুষ, চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান এবং সর্বোপরি বিশ্ববাসীর কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উন্নত হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

    ড. মো. আজিজুর রহমান : প্রশাসক, জনসংযোগ দফতর; সহযোগী অধ্যাপক, ফার্মেসি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
    ajijur.rubd@gmail.com

    স্বপ্নচাষ/একে

    Facebook Comments

    বাংলাদেশ সময়: ৫:৫৮ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২০

    swapnochash24.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  

    সম্পাদক : এনায়েত করিম

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: গুরুদাসপুর, নাটোর-৬৪৩০
    ফোন : ০১৫৫৮১৪৫৫২৪ email : swapnochash@gmail.com

    ©- 2021 স্বপ্নচাষ.কম কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।