• বুধবার ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    স্বপ্নচাষ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন  

    ধানের বাম্পার ফলনেও কৃষকের শঙ্কা কাটছে না

    স্বপ্নচাষ ডেস্ক

    ০৩ মে ২০২০ ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ

    ধানের বাম্পার ফলনেও কৃষকের শঙ্কা কাটছে না

    করোনা সঙ্কটে যখন সব কিছু বিপর্যস্ত তখন বোরো ধানের বাম্পার ফলন খুশির খবর না হয়ে পারে না। তারপরও কৃষকের মন থেকে শঙ্কা কাটছে না। ধান কাটা শ্রমিকের সঙ্কট না কাটলে বিপদ হতে পারে ঝড়-বৃষ্টিতে। তারপরও বাজারে দাম পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা। প্রতিবছরই বাজারের কাছে কমবেশি মার খায় কৃষক। কৃষকের আহাজারির শেষ হয় না।

    রাজশাহী বিভাগে এর মধ্যেই ধানকাটা শুরু হয়ে গেছে। নওগাঁ এবং নাটোর জেলার চলনবিল এলাকায় ধানকাটা শুরু হলেও রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে এখনও শুরু হয়নি। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে শুরু হয়ে ধানকাটা শেষ হবে এ মাসের শেষ দিকে। এবার এই বিভাগে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মোট তিন লাখ ৫০ হাজার ৩৫ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। যা থেকে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ধান পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। খেতে ধানের ফলন দেখে কৃষকের মন ভরে উঠলেও শঙ্কা জাগছে শ্রমিক সঙ্কট ও ধানের দাম পাওয়া নিয়ে।

    করোনা সংক্রমণ এড়াতে লকডাউনের কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে ধানকাটা শ্রমিকের আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে। আগেও শ্রমিক সঙ্কটে ভুগতে হয়েছে বলেই এবার শঙ্কাটা একটু বেশিই। তবে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তারা শ্রমিক সঙ্কট কেটে যাবার ব্যাপারে আশাবাদী।

    অন্যদিকে দেশব্যাপী কৃষকের কাছ থেকে বোরোধান ক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত ২৬ এপ্রিল থেকে। চারমাসব্যাপী এই কার্যক্রম চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এবার রাজশাহী বিভাগে কৃষকের কাছ থেকে ধানক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা মাত্র ধরা হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৬৬৬ মেট্রিক টন। যা উৎপাদিত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র পাঁচ দশমিক ২৫ শতাংশ। ফলে সরকারের ধানক্রয়ের সুবিধার বাইরেই রয়ে যাবে বেশিরভাগ কৃষক, এতে সন্দেহ নেই।

    তাছাড়া ধান ওঠার পর কৃষকের তালিকা করতে প্রচার-প্রচারণা শুরু নিয়েও প্রশ্নের শেষ নেই। প্রতিবছরই তালিকা প্রস্তুতে ভুল-ভ্রান্তির খবর চাউড় হয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। আর যাচাই বাছাই শেষে ধান ক্রয় কার্যক্রম শুরু হতে চলে যাবে অন্তত এক মাস। ফলে প্রান্তিক কৃষক সরকারের ধান ক্রয়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিতই থেকে যায়। কারণ ধার দেনা ও এই মুহূর্তের চাহিদা মেটাতে কাটার পর পরই ধান বিক্রি না করে উপায় থাকে যা গরিব কৃষকের। ফলে ন্যায্যমূল্য তার নাগালের বাইরেই রয়ে যায়।

    এ সব বিষয় নিয়ে অনেক কথা, লেখালেখি, আলোচনা হলেও সমাধানের আলো দেখা যাচ্ছে না। ফলে ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মনে আনন্দের যে ঢেউ জাগে তা স্থায়ী হয় কমই। শঙ্কাই স্থায়ী কৃষকের মনে।

    স্বপ্নচাষ/আরএস

    Facebook Comments

    বাংলাদেশ সময়: ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ০৩ মে ২০২০

    swapnochash24.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  

    সম্পাদক : এনায়েত করিম

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: গুরুদাসপুর, নাটোর-৬৪৩০
    ফোন : ০১৫৫৮১৪৫৫২৪ email : swapnochash@gmail.com

    ©- 2020 স্বপ্নচাষ.কম কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।