• মঙ্গলবার ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    স্বপ্নচাষ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন  

    কোথায় কেমন আছেন কিম

    স্বপ্নচাষ ডেস্ক

    ২৭ এপ্রিল ২০২০ ৪:৫০ পূর্বাহ্ণ

    কোথায় কেমন আছেন কিম

    সংগৃহীত ছবি

    উত্তর কোরিয়ার সুপ্রিম লিডার কিম জং উনের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তিনি মারা না গেলেও কোথায়, কেমন আছেন তা কেউ জানাতে পারেনি। কিম জং উনকে সর্বশেষ দেখা গেছে ১১ এপ্রিল। সেদিন একটি মিটিংয়ে তিনি সভাপতিত্ব করেন। এরপর থেকেই তিনি লাপাত্তা। হঠাৎ শোনা যায় কিম নাকি মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তার হার্টে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। এরপরই রয়টার্সসহ অনেক সংবাদমাধ্যম কিমের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক খবরটি প্রচার করে। নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কিমের মৃত্যুর বিষয়টি গুজব। কিমের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হলেও উত্তর কোরিয়ার কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম এ নিয়ে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। এমনকি তার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কেও কিছু জানায়নি তারা। রয়টার্স গতকাল জানায়, এত দীর্ঘ সময় ধরে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে সরকারি কোনো মন্তব্য না পাওয়ায় তার মৃত্যুর বিষয়টি জোরালো হচ্ছে।

    উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের মৃত্যুর খবর নিয়ে দুনিয়াজুড়ে জল্পনা শুরু হওয়ার মাঝেই একটি স্যাটেলাইট ছবিকে ঘিরে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। সেই ছবিতে দেখা গেছে একটি ট্রেন পার্ক করা রয়েছে কিমের ব্যক্তিগত রিসোর্টের সামনে। ওয়াশিংটনের নর্থ কোরিয়া মনিটরিং প্রজেক্টের পক্ষ থেকে স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবিটি প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, গত ২১ থেকে ২৩ এপ্রিলের মধ্যে ওয়ানসনের ‘লিডারশিপ স্টেশন’-এ দাঁড়িয়ে একটি ট্রেন। এ স্টেশনটি কিমের পরিবারের জন্য রিজার্ভড থাকে। তবে ওই ট্রেনে কিম জং উন ছিলেন কিনা সেটি কেউ দাবি করেনি। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দাদের উদ্ধৃতি দিয়ে স্থানীয় সংবাদ সংস্থা নিউজইজ প্রতিবেদন প্রকাশ করে যে, একটি বিশেষ ট্রেন দেখা গেছে ওয়নসানে। এ ট্রেনটি ব্যবহার করেন কিম। এ সময় কিমের ব্যক্তিগত বিমান অবস্থান করছিল পিয়ংইয়ংয়ে।

    আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় হংকংয়ের এক সংবাদমাধ্যমের খবরের ছবি ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল হয় তার মৃত্যুজল্পনা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে কিম জং উনের ‘দেহের’ যে ছবি প্রকাশ করে হংকংয়ের সংবাদমাধ্যমটি, তার সঙ্গে অদ্ভুত মিল আরও একটি ছবির। কিম জং উনেরই বাবা কিম জং ২-এর শেষযাত্রার একটি ছবির সঙ্গে বেশ মিল পাওয়া যাচ্ছে সাম্প্রতিক কিমের দেহের ছবিটির। বিশ্লেষকরা বলছেন, কিমের মরদেহের যে ছবি ভাইরাল হয়েছে তা আসলে সুক্ষ সম্পাদনা করা। ১১ এপ্রিলের পর কিম জং উনকে আর দেখা যায়নি। গত ১৫ এপ্রিল ছিল দেশের প্রতিষ্ঠাতা ও কিম জং উনের দাদা কিম ইল সাংয়ের জন্মদিন। সেদিন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সব শীর্ষ কর্মকর্তা উপস্থিত হলেও অনুপস্থিত ছিলেন কিম জং উন। এটি নজিরবিহীন। সিউলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি এনকে উত্তর কোরিয়ার একটি অজ্ঞাত সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করে, রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের উত্তরে হাইংসান অবকাশ যাপন কেন্দ্রে চিকিৎসা নিচ্ছেন কিম জং উন। এতে বলা হয়, তার হার্টের অপারেশনের পর তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে ১৫ এপ্রিলের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তাকে না যাওয়ায় শারীরিক অবস্থা ‘ভালো নয়’ বলে চারদিকে রটে যায়। মার্কিন একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, ওই অপারেশনের পর বড় ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা। এরপরই কিম জং উনের অবস্থা সম্পর্কে মেডিকেল পরামর্শ দিতে একদল চিকিৎসক পাঠায় চীন। জাপানের এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কিম জং উন এখন অচেতন অবস্থায় রয়েছেন। এ ছাড়া তার মৃত্যুর খবরও প্রকাশ করেছে কিছু কিছু সংবাদমাধ্যম।
    উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন সারা বিশ্বে আলোচিত একজন রহস্যময় রাষ্ট্রনেতা হিসেবে। ২০১১ সালে তিনি ক্ষমতায় আসেন।

    ধারণা করা হয় তার বয়স ৩৬ বছর। অল্প বয়সেই ক্ষমতায় এসে সামরিক উপদেষ্টাদের একজনকে সরকারি বৈঠকে ক্যামেরার সামনে গ্রেফতার করেন। হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা চালিয়ে তিনি আলোচিত, সমালোচিত হতে শুরু করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তীব্র সংকট তৈরি করে বারবার পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে গোটা বিশ্বকে উত্তপ্ত করেছেন তিনি।

    স্বপ্নচাষ/আরএস

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ৪:৫০ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০

    swapnochash24.com |

    advertisement

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    advertisement
    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
    advertisement

    সম্পাদক : এনায়েত করিম

    প্রধান কার্যালয় : ৫৩০ (২য় তলা), দড়িখরবোনা, উপশহর মোড়, রাজশাহী-৬২০২
    ফোন : ০১৫৫৮১৪৫৫২৪ email : swapnochash@gmail.com

    ©- 2021 স্বপ্নচাষ.কম কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।